Home / বিনোদন / সন্তানের উচ্চতা বাড়াতে যা করবেন

সন্তানের উচ্চতা বাড়াতে যা করবেন

আজকাল বাবা-মায়েদের  একটি কারণ হলো তার সন্তান লম্বা হবে কি না? তারা আশায় থাকেন- সন্তান লম্বা-চওড়া আর স্বাস্থ্যবান হোক। এর জন্য চেষ্টারও কমতি নেই। খাওয়া-দাওয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন ব্যায়ামও চালিয়ে থাকেন। কিন্তু ফলাফল তেমন একটা আসছে না। এগুলো করতে হবে সঠিক সময়ে সঠিক পদ্ধতিতে। তবেই ফল পাবেন।

সন্তানের উচ্চতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে জিন। এটি একমাত্র  নয় যা উচ্চতাকে প্রভাবিত করে। আশপাশের পরিবেশ, খাবার, শরীরচর্চা- এসবও শিশুর উচ্চতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জেনে নিন আপনার সন্তানের উচ্চতা বাড়ানোর ছয়টি সহজ উপায়-

সুষম খাদ্যঃ সন্তানের উচ্চতা বাড়ানোর সবচেয়ে ভালো উপায় হল শরীরে সঠিক পুষ্টি পৌঁছানো। সুষম ডায়েটে সঠিক অনুপাতে  ভিটামিনের মিশ্রণ হওয়া উচিত।

এছাড়াও আপনার সন্তানকে জাঙ্ক ফুড এবং  থেকে দূরে রাখুন। মাঝে মাঝে অল্প খেলে নেই; কিন্তু কোনোভাবেই যেন প্রতিদিন এসব না খায়।

আপনার সন্তানের বৃদ্ধিতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখে। সুতরাং, চিনাবাদাম এবং স্কোয়াশ বীজের মতো দস্তা-সমৃদ্ধ খাবারগুলো তাদের ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ। ভারসাম্যযুক্ত  আপনার সন্তানের উচ্চতা বাড়ানোর জন্য সঠিক পুষ্টি সরবরাহ করবে না তবে তাকে ভেতর থেকে আরও করবে।

প্রতিদিন মাঠে বা বাড়িতে কোনও উঁচু বার ধরে ঝোলা উচ্চতা বাড়াতে খুবই কার্যকর। এটা তার স্পাইনের গঠনে খুব সাহায্য করে। পুল আপ আর চিন আপ এর মতো ব্যায়ামও করতে পারে। এসবই উচ্চতা বাড়ানোর জন্য খুবই ভালো।

যোগ ব্যায়ামঃ যোগ বা আসন খুবই কার্যকরী বাচ্চার বৃদ্ধির জন্য। এটি সম্পূর্ণভাবে আপনার বাচ্চার বৃদ্ধির খেয়াল রাখবে। আরেকটি ভালো আসন হল । এক্ষেত্রে শুরুতে বাচ্চাকে মাটিতে শুতে হবে চিত হয়ে। তারপর পা ভাঁজ করতে হবে। হাত কনুই পর্যন্ত ভাঁজ করে মাথার পেছনে কানের কাছে রাখতে হবে। এবার হাত আর পায়ের জোরে শরীর তুলতে হবে। তারপর হাত আস্তে আস্তে পেছনে এনে পায়ের পাতা ছুঁতে হবে। তখন শরীরের আকৃতি হয়ে যাবে র মতো। এটিও  গঠন খুব ভালো করে।

স্কিপিংঃ এটি বাচ্চাদের খুব প্রিয় একটা খেলা। এতে অনেক বার বাচ্চাকে শূন্য থেকে উপরে উঠতে হয়। ফলে কিছু ইঞ্চি উচ্চতা বাড়ার সম্ভাবনা সব সময় থেকেই যায়। তাই বাচ্চাদের প্রতিদিন এই অভ্যাসটি চালিয়ে যেতে বলুন।

সাঁতারঃ সাঁতারকে সারা শরীরের ব্যায়াম ধরা হয়। ব্যায়াম করুক বা নাই করুক সাঁতার  কিন্তু সব উপকার পেতে পারে। এতে হাত পায়ের সামগ্রিক ব্যায়াম হয়। তাই বাচ্চা সুন্দরভাবে বেড়ে উঠতে পারে। এটি একটি অন্যতম  এক্সারসাইজও বটে।

ব্যায়াম উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য খুবই কার্যকর। আপনি আপনার বাচ্চাকে বলতে পারেন দেওয়ালের দিকে উলটো দিক করে দাঁড়াতে পিঠে ভর দিয়ে। তারপর হাত সামনের দিকে বাড়িয়ে স্ট্রেচ করতে। আবার একই ভাবে দেওয়ালের দিকে উলটো দিক করে পিঠে ভর দিয়ে পায়ের আঙ্গুলের উপর বসুক। তারপর যতখানি সম্ভব নিজের পায়ের পেশি  করুক।

এভোবে দশ বার করে দিনে দু বার করুক। আরেকটা ব্যায়াম আছে খুব ভালো। মাটিতে আপনার বাচ্চাকে শুতে বলুন চিত হয়ে। তারপর কোমর পর্যন্ত উঠে পায়ের বুড়ো আঙুল ধরতে বলুন। এতেও কিন্তু খুব ভালো পেশি বৃদ্ধি হয়।

ভালো ঘুমঃ রাতে একটি ভালো ঘুম কেবল বড়দের জন্য নয়, শিশুদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। আপনার সন্তানকে সুস্থ এবং রাখার জন্য প্রতি রাতে তার অন্তত আট ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করতে হবে।

About admin

Check Also

সুস্বাদু মাছের ডিমের নানান পুষ্টিগুণ

মাছের ডিম খেতে কার না ভাল লাগে? অনেকে তো আবার মাছই কেনেন মাছের ডিম খাওয়ার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *